সবাই কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন।আমার এই নতুন ব্লগে আপনাকে স্বাগত!আজ থেকে আপনি নতুন নতুন টিপস পাবেন আমার এই ব্লগ থেকে আশা করি সবাই আমার সাথে থাকবেন।↓😫😫আমার ফেসবুক প্রোফাইল
Now blog
সোমবার, ২০ মার্চ, ২০১৭
আজ দেখুন এই ব্লগের প্রথম পোষ্ট।যা চিকিৎসা থেকে দেওয়া।
চিকিৎসা বিজ্ঞান
চিকিৎসা বিজ্ঞান বা চিকিৎসা শাস্ত্র হল রোগ উপশমের বিজ্ঞান কলা বা শৈলী। মানব শরীর এবং মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখার উদ্দেশ্যে রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিষেধক বিষয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধ্যায়ন করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সমসাময়িক চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অধ্যয়ন, গৱেষণা, এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদ্যা র ব্যবহার করে লব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে ঔষধ বা শল্য চিকিৎসার দ্বারা রোগ নিরাময় করার চেষ্টা করা হয়।ঔষধ বা শল্য চিকিৎসা ছাড়াও মনোচিকিৎসা (psychotherapy) , কৃত্রিম অঙ্গ সংস্থাপন, আণবিক রশ্মির প্রয়োগ, বিভিন্ন বাহ্যিক উপায় (যেমন, স্প্লিণ্ট (Splint) এবং ট্রাকশন),জৈবিক সামগ্রি (রক্ত, অণু জীব ইত্যাদি), শক্তি্র অন্যান্য উৎস (বিদ্যুৎ, চুম্বক, অতি-শব্দ ইত্যাদি) ইত্যাদিরও প্রয়োগ করা হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ [আড়ালে রাখো]
১ বুৎপত্তি
২ ইতিহাস
২.১ প্রাগৈতিহাসিক যুগ
২.২ প্রাচীন যুগ
২.৩ মধ্যযুগ
২.৪ আধুনিক যুগ
৩ শাখা
৪ শিক্ষা
৪.১ বাংলাদেশ
৫ তথ্যসুত্র
৬ বহিঃসংযোগ
বুৎপত্তি[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইংরেজি মেডিসিন (Medicine) । মেডিসিন শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ল্যাটিন ভাষার ars medicina শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে "the medical art" ('চিকিৎসা কলা') [১][২]।
ইতিহাস[উৎস সম্পাদনা]
চিত্র:220px-Hip pocraticOath.jp g
চিকিৎসাবিজ্ঞানে র জনক হিসেবে পরিচিত গ্রিক চিকিৎসাবিদ হিপোক্রেটিস ( আনু. খ্রীষ্টপূর্ব ৪৬০- খ্রীষ্টপূর্ব ৩৭০) রচিত 'হিপোক্রেটিক কর্পাস'
প্রাগৈতিহাসিক যুগ[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিজ্ঞানে র ইতিহাস মানবেতিহাসের ন্যায় প্রাচীন। সুদূর অতীতে মানব প্রজাতির বিকাশের সাথে সাথেই চিকিৎসাবিদ্যাও বিকশিত হয়েছে।
প্রাচীন যুগ[উৎস সম্পাদনা]
মহান গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস কে চিকিৎসাবিজ্ঞানে র জনক বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রেকো-লাতিন সংস্কৃতিরর আরেকজন বিখ্যাত চিকিৎসক হলেন গ্যালেন।
মধ্যযুগ[উৎস সম্পাদনা]
মধ্যযুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের হাতে চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে আবু আলী হোসাইন ইবনে সিনা সবচেয়ে বিখ্যাত। মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত রচনায় তার অবদান অনস্বীকার্য। তার মূল অবদান ছিল চিকিৎসা শাস্ত্রে। তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের বিশ্বকোষ আল-কানুন ফিত-তীব রচনা করেন যা ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্তও প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল প্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ ছিল। আরবিতে ইবন সীনাকে আল-শায়খ আল-রাঈস তথা জ্ঞানীকুল শিরোমণি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। পশ্চিমে তিনি অ্যাভিসিনা নামে পরিচিত। তাঁকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে র একজন জনক হিসেবে সম্মান করা হয়ে থাকে।
আধুনিক যুগ[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিজ্ঞানে র ইতিহাসে সবচেয়ে উজ্জ্বল যুগ হচ্ছে ঊনবিংশ এবং বিংশ শতক। এই দুই শতকে বিজ্ঞানের অন্যান্য সব শাখার ন্যায় চিকিৎসাবিজ্ঞানে ও বিপ্লবাত্মক সব আবিষ্কার হয়। বিশেষ করে বিংশ শতকের প্রথমার্ধে সংঘটিত দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধ চিকিৎসাবিজ্ঞানে র উন্নতিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। যুদ্ধকালীন প্রয়োজনেই আবিষ্কার হয় বহু চিকিৎসাকৌশল।
শাখা[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিদ্যা অনেকগুলো শাখায় বিভক্ত। এগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক বা বেসিক, প্যারাক্লিনিক্য াল এবং ক্লিনিক্যাল। বেসিক শাখাগুলোর মধ্যে রয়েছে এনাটমী বা অঙ্গংস্থানতত্ত্ ব, ফিজিওলজি বা শারীরতত্ত্ব, বায়োকেমিস্ট্রি বা প্রাণরসায়ন ইত্যাদি। প্যারাক্লিনিক্য াল শাখার মধ্যে অণুজীববিদ্যা, রোগতত্ত্ব বা প্যাথোলজি, ভেষজতত্ত্ব বা ফার্মাকোলজি অন্যতম। ক্লিনিক্যাল হলো প্রায়োগিক চিকিৎসাবিদ্যা। এর প্রধান দুটি শাখা হলো, মেডিসিন এবং শল্যচিকিৎসা বা সার্জারি। আরও আছে ধাতৃ ও স্ত্রীরোগবিদ্যা , শিশুরোগবিদ্যা বা পেডিয়াট্রিক্স, মনোরোগবিদ্যা বা সাইকিয়াট্রি, ইমেজিং ও রেডিওলোজি ইত্যাদি। এগুলোর সবগুলোরই আবার বহু বিশেষায়িত্ব শাখা রয়েছে।
শিক্ষা[উৎস সম্পাদনা]
বিশ্বব্যাপী চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার বেশকয়েকরকম পদ্ধতি আছে। সাধারণত মেডিকেল স্কুল বা কলেজগুলোতে শিক্ষা দেওয়া হয়। একে সাধারণত দুইভাগে ভাগ করা হয়: স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। চিকিৎসাবিজ্ঞানে র স্নাতক ডিগ্রি।হিসেবে এম.বি.বি.এস বা এম.ডি প্রচলিত। প্রথমোক্ত ডিগ্রিটি যুক্তরাজ্যসহ কমনওয়েলথ দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর এম.ডি. ডিগ্রি যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো কয়েকটি দেশে প্রচলিত। স্নাতকোত্তর ডিগ্রির মধ্যে এমআরসিপি, এফআরসিএস ইত্যাদি বিভিন্ন মেম্বারশিপ ও ফেলোশিপ অন্যতম। বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে সম্মানজনক স্নাতকোত্তর ডিগ্রির মধ্যে এফ.সি.পি.এস. অন্যতম, যা দেশগুলোর নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় 'কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এণ্ড সার্জনস' কর্তৃক প্রদান করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ[উৎস সম্পাদনা]
বাংলাদেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার মূল ক্ষেত্র মেডিকেল কলেজ। প্রতিবছর সরকারি প্রায় ৩৭ ও বেসরকারি অনেকগুলো কলেজে প্রায় দশহাজারের মতো ছাত্রছাত্রি ভর্তি হয়ে থাকে। পাঁচবছর মেয়াদি পড়াশোনা শেষে স্নাতক হিসেবে এম.বি.বি.এস. ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর একবছর শিক্ষানবিশ হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে হয়। শিক্ষানবিশি শেষে 'বাংলাদেশ মেডিকেল এণ্ড ডেন্টাল কাউন্সিল'এর রেজিস্টার্ড ডাক্তার হিসেবে চর্চা করতে পারেন।
চিকিৎসা বিজ্ঞান
চিকিৎসা বিজ্ঞান বা চিকিৎসা শাস্ত্র হল রোগ উপশমের বিজ্ঞান কলা বা শৈলী। মানব শরীর এবং মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখার উদ্দেশ্যে রোগ নিরাময় ও রোগ প্রতিষেধক বিষয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধ্যায়ন করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সমসাময়িক চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অধ্যয়ন, গৱেষণা, এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদ্যা
পরিচ্ছেদসমূহ [আড়ালে রাখো]
১ বুৎপত্তি
২ ইতিহাস
২.১ প্রাগৈতিহাসিক যুগ
২.২ প্রাচীন যুগ
২.৩ মধ্যযুগ
২.৪ আধুনিক যুগ
৩ শাখা
৪ শিক্ষা
৪.১ বাংলাদেশ
৫ তথ্যসুত্র
৬ বহিঃসংযোগ
বুৎপত্তি[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইংরেজি মেডিসিন (Medicine) । মেডিসিন শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ল্যাটিন ভাষার ars medicina শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে "the medical art" ('চিকিৎসা কলা') [১][২]।
ইতিহাস[উৎস সম্পাদনা]
চিত্র:220px-Hip
চিকিৎসাবিজ্ঞানে
প্রাগৈতিহাসিক যুগ[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিজ্ঞানে
প্রাচীন যুগ[উৎস সম্পাদনা]
মহান গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস কে চিকিৎসাবিজ্ঞানে
মধ্যযুগ[উৎস সম্পাদনা]
মধ্যযুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের হাতে চিকিৎসাক্ষেত্রে
আধুনিক যুগ[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিজ্ঞানে
শাখা[উৎস সম্পাদনা]
চিকিৎসাবিদ্যা অনেকগুলো শাখায় বিভক্ত। এগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক বা বেসিক, প্যারাক্লিনিক্য
শিক্ষা[উৎস সম্পাদনা]
বিশ্বব্যাপী চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার বেশকয়েকরকম পদ্ধতি আছে। সাধারণত মেডিকেল স্কুল বা কলেজগুলোতে শিক্ষা দেওয়া হয়। একে সাধারণত দুইভাগে ভাগ করা হয়: স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। চিকিৎসাবিজ্ঞানে
বাংলাদেশ[উৎস সম্পাদনা]
বাংলাদেশে চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষার মূল ক্ষেত্র মেডিকেল কলেজ। প্রতিবছর সরকারি প্রায় ৩৭ ও বেসরকারি অনেকগুলো কলেজে প্রায় দশহাজারের মতো ছাত্রছাত্রি ভর্তি হয়ে থাকে। পাঁচবছর মেয়াদি পড়াশোনা শেষে স্নাতক হিসেবে এম.বি.বি.এস. ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর একবছর শিক্ষানবিশ হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে হয়। শিক্ষানবিশি শেষে 'বাংলাদেশ মেডিকেল এণ্ড ডেন্টাল কাউন্সিল'এর রেজিস্টার্ড ডাক্তার হিসেবে চর্চা করতে পারেন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
